শুধু তুলসী পাতা বা তুলসী পাতার গুড়া নয়। তুলসী গাছের বাকোল, পাতা, বীজ, ও শেকড় সবকিছুই তেই রয়েছে ওষুধই গুনাগুন। কিন্তু আপনাকে ব্যবহারবিধি ও নিয়ম জানতে হবে এই উপকারিতা পাওয়ার জন্য। তাই আজকে আমি চেষ্টা করব তুলসী পাতার বিভিন্ন ঔষধি গুনাগুন নিয়ে আলোচনা করার জন্য এবং কিভাবে এটি ব্যবহার করলে ফলাফলটা পাবেন।

১. খালি পেটে তুলসী পাতার গুড়া খেলে দেহের বিষাক্ত উপাদান এবং কিডনির পাথর দূর হয়।
২. মুখের দুর্গন্ধ ও সর্দি থেকে মুক্তি পাবার জন্য তুলসী পাতার গুড়ার সাথে মধু ও আদা মিশিয়ে নিয়মিত খান।
৩. হোলি লিফ পাউডারে আছে ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট এবং ইনফ্লেমটরি যা মানসিক চাপমুক্ত করতে সহায়তা করে।
৪. তুলসী পাতার গুড়ার/ basil leaf powder সাথে ডিমের সাদা অংশ অথবা মসুর ডাল গুড়া অথবা গোলাপ জল ও লেবুর রস মিশিয়ে ত্নকে ব্যবহার করা যায়। এতে করে ব্রণ দূর করতে, ত্বকের দাগ দূর করতে এবং ত্বকের গর্ত দূর করতে সাহায্য করে।
৫. প্রাচীনকাল থেকেই অনেক দেশে তুলসী পাতার গুড়া রাতকানা রোগ সারাতে ব্যবহার করে আসছে
৬. চুলের খুশকি, উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি এবং চুল পড়া বন্ধ করতে নিয়মিত তুলসী পাতার গুড়া ব্যবহার করতে পারেন।
৭. Tulshi powder এক মহা ওষুধ যা প্রাচীনকাল থেকেই মানবদেহের জীবাণু ও সংক্রমণ রোদে ব্যবহার করা হয়ে আসছে।

৮. আপনি যদি চুল পড়া বন্ধ করতে চান তাহলে সপ্তাহে দুই দিন আমলকী বেটে তুলসি পাতার সাথে মিশিয়ে আধাঘন্টা অথবা এক ঘন্টা মাথায় দিয়ে রাখতে পারেন।
৯. আপনি নিয়মিত মধুর সাথে তুলসী পাতার পাউডার মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে করে দেহের অনেক জটিল রোগের সমাধান হবে।
১০. আমাদের অর্গানিক তুলসী পাতার গুরু দিয়ে চা বানিয়ে খেতে পারেন। এতে করে শারীরিক ও মানসিক অবসাদ দূর হবে।
১১. আপনি যদি ঠান্ডা অথবা কাশির সমস্যায় বোগেন। মধুর সাথে মিশিয়ে আমাদের তুলসী পাতার গুড়া খেয়ে দেখতে পারেন। আশা করি আপনার কাশি ও ঠান্ডা জনিত সমস্যার সমাধান পাবেন।
১২. গলা ব্যথা ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা সমাধানে তুলসী পাতার গুড়া বেশ উপকারী। কাঁচা তুলসী পাতা গরম পানিতে ফুটিয়ে খেলে খুব দ্রুত গলার ব্যথা দূর হয়।
কখন তুলসী পাতা খাবেন না
১. আপনি যদি গর্ব অবস্থায় থাকেন অথবা সন্তানকে দুধ পান করান। তখন তুলসী পাতা খাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।
২. মাত্র অতিরিক্ত তুলসী পাতা খাওয়া আপনার শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই অতিরিক্ত তুলসী পাতা খাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। পরিমাণ মতো খাবেন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে।
৩. আপনি যদি নিম্ন রক্তচাপ সমস্যায় ভুগেন। তাহলে আপনার তুলসী পাতা না খাওয়াই উত্তম।
সতর্কীকরণ
আমাদের তুলসী গুরু সম্পূর্ন প্রাকৃতিক এবং কেমিক্যাল মুক্ত। অনেকদিন পর্যন্ত আমাদের তুলসিকুরা সংরক্ষণ করে রাখার জন্য বাতাস থেকে দূরে রাখবেন এবং মাসে এক দুইবার রোদে শুকাবেন। ব্যবহার করার আগে ডাক্তার অথবা কবিরাজের পরামর্শ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।







তুলসী পাতা কুইন অব হার্বস নামে বেশ পরিচিত। ৫ হাজার বছর ধরে Tulsi পাতার গুড়া বিভিন্ন জটিল রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কারন তুলসীপাতাতে রয়েছে নানাবিধ ঔষধি গুণ। ত্বকের উজ্জ্বলতা এবং ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও Tulsi patar gora বেশ প্রচলিত।










Reviews
There are no reviews yet.